নিউজ পোর্টাল, অনলাইন ডেস্ক।
২২,০৭,২৬
ওটস (Oats) হলো পুষ্টিকর এবং আঁশযুক্ত এক ধরনের খাদ্যশস্য। এটি প্রোটিন, ভিটামিন, খনিজ এবং বিটা-গ্লুকান নামক বিশেষ ফাইবারের চমৎকার উৎস। স্বাস্থ্যকর সকালের নাশতা হিসেবে ওটমিল, খিচুড়ি বা বিভিন্ন ডেজার্ট তৈরিতে এর জুড়ি নেই।
ওটসের প্রধান উপকারিতাগুলো হলো:
- হৃদ্যন্ত্র ভালো রাখে: ওটসে থাকা ফাইবার রক্তে ক্ষতিকর কোলেস্টেরলের মাত্রা কমাতে সাহায্য করে।
- ওজন নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করে: আঁশযুক্ত হওয়ায় এটি ধীরে ধীরে হজম হয়। ফলে দীর্ঘক্ষণ পেট ভরা থাকে এবং বারবার ক্ষুধা লাগার প্রবণতা কমে।
- রক্তে শর্করা নিয়ন্ত্রণ: এটি ডায়াবেটিস রোগীদের জন্য অত্যন্ত উপকারী, কারণ এটি রক্তে শর্করার মাত্রা চট করে বাড়তে দেয় না।
- হজমশক্তি বাড়ায়: ওটস কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করতে এবং হজম প্রক্রিয়া উন্নত করতে দারুণ কার্যকরী।
ওটস কিভাবে খেতে হয়?
ওটস খাওয়ার অনেক উপায় রয়েছে। নিচে কিছু জনপ্রিয় পদ্ধতি দেওয়া হলো:
- ওটস-পানি/দুধে রান্না করে: গরম পানিতে/দুধে ওটস সেদ্ধ করে ফল, বাদাম, মধু মিশিয়ে খাওয়া যায়।
- ওভারনাইট ওটস: রাতে দুধ ও ফল মিশিয়ে রেখে সকালে ঠান্ডা অবস্থায় খাওয়া যায়।
- ওটস প্যানকেক বা চিলা: ডিম, মসলা ও সবজি দিয়ে বানিয়ে নেওয়া যায় স্বাস্থ্যকর নাস্তা।
ওটস খাওয়ার অপকারিতা
যদিও ওটস অনেক উপকারী, কিছু ক্ষেত্রে কিছু পার্শ্বপ্রতিক্রিয়াও দেখা দিতে পারে:
- অতিরিক্ত ফাইবার পেটে গ্যাস বা পাতলা পায়খানা সৃষ্টি করতে পারে। তবে সবার ক্ষেত্রে না।
- যাদের গ্লুটেন এলার্জি রয়েছে, তারা গ্লুটেন-ফ্রি ওটস খাওয়ার পরামর্শ নিন।
- কখনো কখনো শিশুদের ও গর্ভবতীদের ক্ষেত্রে অতিরিক্ত ওটস হজমের সমস্যা করতে পারে
ওটস খাওয়ার নিয়ম কি?
- দিনে ১ বাটি বা ৩০-৫০ গ্রাম ওটস খাওয়া নিরাপদ
- [সকালের নাশতায়] খাওয়া সবচেয়ে ভালো সময়
- পানি বা দুধে রান্না করে খান, কাঁচা ওটস খাওয়া এড়িয়ে চলুন
- প্রতিদিনের খাদ্যতালিকায় সুষমভাবে অন্তর্ভুক্ত করুন
